কোন খাবার সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর? জানুন যা বলছে বিজ্ঞান…

 

কোন খাবার সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর? জানুন যা বলছে বিজ্ঞান… 

সুস্থ থাকতে সুঅভ্যাস গড়ে তোলা ভীষণ ভাবে জরুরি। আর তাই রোজকার ডায়েটে কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার কিন্তু অবশ্যই রাখবেন। বিভিন্ন শস্যদানা, ডাল-এসবের মধ্যেই কিন্তু প্রোটিনের ভাগ সবচাইতে বেশি

সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর খাবারের তকমা পেয়েছে এই বিনস


যে কোনও রকম ফাস্ট ফুড (Fast Food), প্রক্রিয়াজাত খাবার, ঠান্ডা পানীয়, মিষ্টি বারবার এড়িয়ে চলার কথা বলা হয়। কারণ এই সব খাবার শরীরের জন্য এক রকম বিষ। সময় বাঁচাতে অনেকেই রোজকার ভাত-ডালের পরিবর্তে কামড় বসান পিৎজা, বার্গারে। এতে হয়তো চটজলদি খাওয়ার সমস্যার সমাধান হয়, কিন্তু শরীরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি যায়। দিনের পর দিন এসব খাবার খেতে থাকলেই আসবে ডায়াবিটিসের মত সমস্যা। সেই সঙ্গে কিন্তু ওজনও বাড়বে। পরিবর্তে বেশ কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে বলা হয় রোজকার ডায়েটে (Daily Diet) । জীবনযাত্রা যদি নিয়ন্ত্রিত হয় আর নিয়ম মেনে খাবার খাওয়া যায় তাহলে কিন্তু ওজন ঝরবে খুব তাড়াতাড়ি। সেই সঙ্গে কমবে রোগের ঝুঁকিও। আর এই স্বাস্থ্যকর খাবারের মধ্যে কিন্তু একেবারে প্রথমেই রয়েছে বিনস। বিনসের মধ্যে সবুজ মুগ, রাজমা, কলাই, সোয়াবিনের বীজ থেকে শুরু করে একাধিক শস্যদানা রয়েছে। নিয়মিত ভাবে এই সব শস্যদানা খেতে পারলে, ওজন কমে, কমে বিরল রোগের ঝুঁকিও। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত বিনস খেলে (Health benefits of eating beans) কমে ক্যানসারের ঝুঁকিও।

বেশ কিছু সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যে সব অঞ্চলে মানুষের আয়ু বেশি তাঁরা কিন্তু নিয়মিত ভাবে বিভিন্ন দানাশস্য খান। বিশেষত বিনস। বিনস, মটরশুঁটির জেরেই তাঁরা শতায়ু লাভ করেছেন। আর বিনসের মধ্যে থাকা বিভিন্ন পুষ্টিই কিন্তু এর জন্য দায়ী। এতে প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার, ফোলেট এসব বেশি পরিমাণে থাকে। নিউট্রিয়েন্টসে প্রকাশিত সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়ম করে উদ্ভিজ প্রোটিন খেতে পারলে আমাদের হার্ট ভাল থাকে। সেই সঙ্গে প্রদাহ কমাতে, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতেও কিন্তু ভূমিকা রয়েছে এই সব দানাশস্যের।

আমেরিকান ডায়াবিটিস অ্যাসোসিয়েশনের মতে রোজ সকালে যদি এই সোয়াবিন বীজ, সবুজ মুগ এসব ভিজিয়ে খাওয়া যায় এবং স্ন্যাক্স হিসেবে অন্য কিছু না খেয়ে এই সব বীজ দিয়েই চার্ট বানিয়ে নেওয়া যায় তাহলে ডায়াবিটিস, হৃদরোগ এবং উচ্চরক্তচাপের ঝুঁকি কমে অনেকটাই। অঙ্কুরিত ছোলা, মুগ, পেঁয়াজ, শসা, টমেটো, লেবু দিয়ে চাট বানিয়ে নিলে খেতেও বেশ মুখরোচক হয়। এক্ষেত্রে টিনজাত মটরশুঁটি কিন্তু এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। কারণ এর মধ্যে সোডিয়ামের পরিমাণ থাকে বেশি।

অনেকের ক্ষেত্রে আবার এই সব শস্যদানা বেশি খেলে গ্যাসের সমস্যা আসতে পারে। সেক্ষেত্রে আগে থেকে সতর্ক থাকুন। একসঙ্গে অনেকটা পরিমাণে না খেয়ে অল্প অল্প করে খান। দানাশস্যের মধ্যে যে সব উপাদান থাকে তা আমাদের অন্ত্র ভাল রাখতেও সাহায্য করে। আর তাই একদিনেই ,ব খেয়ে নেবেন এরকম মানসিকতা রাখবেন না, বরং ধীরে ধীরে খান। এতে শরীর থাকবে সুস্থ।

Healthy food: এগুলি খেলে সুস্থ থাকবে আপনার 'দ্বিতীয় মস্তিষ্ক', দেখুন সেই খাবারের তালিকা

 

Healthy food: এগুলি খেলে সুস্থ থাকবে আপনার 'দ্বিতীয় মস্তিষ্ক', দেখুন সেই খাবারের তালিকা


হজমের সমস্যা থেকে পেটের সমস্যা, সব কিছুই ভালো হবে এই খাবারে

শরীরের প্রত্যেকটি অংশ যদি সঠিকভাবে কাজ করে, তবেই আপনার শরীর সার্বিকভাবে সুস্থ থাকবে। শরীরের এমন একটি অংশ হল অন্ত্র। এই অন্ত্রকে বলা হয় দ্বিতীয় মস্তিষ্ক, কারণ অন্ত্র যদি সুস্থ না থাকে তাহলে শরীরে তৈরি হয় একাধিক অসুস্থতা। আজ জানুন প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এমন কোন কোন খাবার আপনি রাখবেন, যা আপনার 'দ্বিতীয় মস্তিষ্ক'কে রক্ষা করবে।


গোটা শস্য: বহু বছর ধরে গোটা শস্য খাবার চল রয়েছে মানুষের মধ্যে। গোটা শস্যের মধ্যে থাকে ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট, যা খারাপ ব্যাকটেরিয়া মেরে দেয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যার হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করে।

সবুজ শাকসবজি: সবুজ শাকসবজি অর্থাৎ পালং শাক, ব্রকলি এবং পেঁয়াজকলির মত খাবার যদি আপনি রোজ খেতে পারেন তাহলে আপনার শরীরে ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ এবং আয়রনের মাত্রা পরিপূর্ণ থাকবে। এগুলি আপনার হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং অন্ত্রকে সুস্থ রাখে।
চর্বিহীন প্রোটিন: প্রতিদিন মুরগি অথবা জ্যান্ত মাছ খাওয়া উচিত অন্ত্রকে ভালো রাখার জন্য। এই প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারগুলিতে প্রোটিনের মাত্রা থাকে অনেকটাই বেশি। তুলনামূলকভাবে ফ্যাটের পরিমাণ একেবারেই থাকে না।

চিনির মাত্রা কম রয়েছে এমন ফল: মিষ্টি জাতীয় খাদ্য খাওয়া একেবারেই ভালো নয় শরীরের পক্ষে, এটা এখন আর কারোর কাছেই অজানা নয়। কম চিনিযুক্ত ফল যেমন কিউই, বেরি এই সমস্ত ফল খেলে আপনার গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় এবং অন্ত্র ভালো থাকে।
প্রচুর পরিমাণে জল: প্রচুর পরিমাণে জল খেলে আপনার শরীরে জলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে তো বটেই, আপনার হজম ক্ষমতাও উন্নত হবে। প্রতিদিন অন্ততপক্ষে তিন থেকে চার লিটার জল খেলে শরীর থেকে যাবতীয় টক্সিন দূর হয়ে যায়, যার ফলে আপনার অন্ত্র ভালো থাকবে।

দই: দই হলো প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ একটি খাবার, যা একটি উপকারী ব্যাকটেরিয়া। প্রতিদিন দই খেলে রোগ প্রতিরোধ এবং হজম ক্ষমতা বেড়ে যায়। হজম ক্ষমতা বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই ভালো থাকে অন্ত্র।

বাদাম: বাদামে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ফাইবার। প্রতিদিন একমুঠো বাদাম খেলে আপনার শরীরে পুষ্টির অভাব হবে না এবং আপনার অন্ত্র সুস্থ থাকবে।
অলিভ অয়েল: অলিভ অয়েলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাটি অ্যাসিড এবং পনিফেনল যা ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখে। প্রতিদিন রান্নায় অথবা স্যালাডে যদি অলিভ অয়েল ব্যবহার করেন, তাহলে আপনি পাবেন একাধিক উপকারিতা।

অ্যাভোকাডো: এই ফলটি একদিকে যেমন ফাইবার সমৃদ্ধ একটি ফল তেমন অন্যদিকে এতে চিনির পরিমাণ কম থাকে। রোজ একটি করে অ্যাভোকাডো ফেলে গ্যাস হবার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

Healthy Lifestyle Tips: Follow these five tips to stay healthy and you will run around like a young man even in old age!

 

Healthy Lifestyle Tips: Follow these five tips to stay healthy and you will run around like a young man even in old age!

Healthy Lifestyle Tips: The healthiest people in the world live in countries where people follow the right habits for physical and mental health. People in countries like Japan, Korea, Sweden, Finland, Iceland, Spain, Switzerland are healthier than people in other countries. Let's know about 5 habits of healthy people in these countries.

Many reports and studies have proven that people in some countries are healthier throughout their lives. In fact, there are certain aspects of their lifestyle that keep them healthy. Their diet is very healthy and their lifestyle is related to various things. For example, their social life is better, the environment is cleaner, they live a natural lifestyle and they have more social support.


Diet – People in countries where people are healthy tend to have a very balanced diet. Basically, they follow the 'Mediterranean diet', which is similar to the ancient Indian diet. It includes whole grains, pulses, green leaves, fish, nuts, olive oil, fresh fruits, soups, etc. This diet emphasizes on eating less modern processed foods.\


Physical Activity – The most important thing for a healthy lifestyle is physical activity. The more you are physically active, the healthier you will be. Physical activity does not require going to the gym, but you can include physical activity in your daily routine. A brisk walk every day is also a good way. Healthy people in this country make cycling, yoga and other physical activities a part of their daily routine.

Sufficient sleep – When we sleep, our body repairs various organs and the brain stores memories. Modern science also considers sleep as an important part of a healthy life. Generally, 7-8 hours of sleep is considered sufficient. But it is important to rest properly during sleep, so that you do not have to wake up frequently.


Healthy Social Life – Countries where people are healthy tend to have a strong social life. In Japan, strong social networks and spending time with family are very beneficial for mental health. Also, spending time with friends is important. Such a strong social life is still seen in rural India.


These were some simple habits that will help you live a healthy life.

Healthy Lifestyle Tips: সুস্থ থাকতে মেনে চলুন পাঁচ টিপস, বুড়ো বয়সেও তরুণের মতো ছুটে বেড়াবেন!

 

Healthy Lifestyle Tips: সুস্থ থাকতে মেনে চলুন পাঁচ টিপস, বুড়ো বয়সেও তরুণের মতো ছুটে বেড়াবেন!

Healthy Lifestyle Tips: বিশ্বে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর মানুষগুলো এমন দেশগুলোতে বাস করেন যেখানে মানুষ শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সঠিক অভ্যাস অনুসরণ করে। জাপান, কোরিয়া, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, স্পেন, সুইজারল্যান্ডের মতো দেশগুলোর মানুষ অন্যান্য দেশের মানুষের তুলনায় স্বাস্থ্যকর। এই দেশের স্বাস্থ্যকর মানুষের ৫টি অভ্যাস সম্পর্কে জানা যাক।


খাদ্যাভ্যাস – যেসব দেশে মানুষ স্বাস্থ্যকর থাকে, তাদের খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত সুষম থাকে। মূলত, তারা 'মেডিটেরিয়ান ডায়েট' অনুসরণ করে, যা প্রাচীন ভারতীয় খাদ্যপদ্ধতির অনুরূপ। এর মধ্যে থাকে পুরো শস্য, ডাল, সবুজ পাতা, মাছে, বাদাম, অলিভ অয়েল, তাজা ফল, সূপ ইত্যাদি। এই ডায়েট আধুনিক প্রক্রিয়া করা খাবার কম খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেয়।


শারীরিক সক্রিয়তা – স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শারীরিক সক্রিয়তা। যত বেশি আপনি শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকবেন, তত বেশি স্বাস্থ্যকর থাকবেন। শারীরিক সক্রিয়তার জন্য জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, বরং আপনি আপনার কাজের মধ্যে শারীরিক কর্মকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। প্রতিদিন দ্রুত হাঁটাও একটি ভাল উপায়। এই দেশের স্বাস্থ্যকর মানুষরা সাইক্লিং, যোগব্যায়াম এবং অন্যান্য শারীরিক কার্যকলাপকে তাদের দৈনন্দিন রুটিনের অংশ বানান।


যথেষ্ট ঘুম – যখন আমরা ঘুমাই, আমাদের শরীর বিভিন্ন অঙ্গের মেরামত করে এবং মস্তিষ্কে স্মৃতি সংরক্ষিত থাকে। আধুনিক বিজ্ঞানও ঘুমকে স্বাস্থ্যকর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে মনে করে। সাধারণত, ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমকে যথেষ্ট মনে করা হয়। কিন্তু ঘুমের সময় সঠিকভাবে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি, যাতে মাঝে মাঝে উঠতে না হয়।hhhh
খুশি থাকা – জীবনে সুখী থাকা খুব জরুরি। যদি আপনি দুঃখ, হতাশা, উদ্বেগ বা স্ট্রেসে ভোগেন, তাহলে আপনি কখনই স্বাস্থ্যকর থাকবেন না। যেসব দেশের মানুষ স্বাস্থ্যকর থাকে, তারা সাধারণত কমে খুশি থাকতে পছন্দ করেন। তারা প্রাকৃতিক পরিবেশে সময় কাটানো, যোগব্যায়াম, মেডিটেশন এবং পরিবারের সাথে আলোচনা করেও মানসিক চাপ কমিয়ে রাখেন।
h
স্বাস্থ্যকর সামাজিক জীবন – যেসব দেশে মানুষ স্বাস্থ্যকর থাকে, তাদের সামাজিক জীবন খুবই শক্তিশালী। জাপানে শক্তিশালী সামাজিক নেটওয়ার্ক এবং পরিবারকে সময় দেওয়া মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। এছাড়া, বন্ধুদের সাথে সময় কাটানোও গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের গ্রামাঞ্চলে এখনো এই ধরনের শক্তিশালী সামাজিক জীবন দেখা যায়।

এগুলো ছিল কিছু সহজ অভ্যাস যা আপনাকে সুস্থ জীবনযাপন করতে সাহায্য করবে।

Healthy Lifestyle: What are the rules that are important to follow in your daily lifestyle to stay healthy all year round?

 Healthy Lifestyle: What are the rules that are important to follow in your daily lifestyle to stay healthy all year round?

Health Tips: Another rule of healthy living is adequate sleep. It is necessary to sleep seven to eight hours every day. And that should be night sleep.


If you want to stay healthy all year round, you must follow some rules in your daily life. Sometimes there may be irregularities. However, we should try to take care of our health and body most of the time of the year. Only then will we stay healthy all year round.

Healthy Lifestyle: সারাবছর সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিনের জীবনশৈলীতে কী কী নিয়ম পালন করা জরুরি?

 

Healthy Lifestyle: সারাবছর সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিনের জীবনশৈলীতে কী কী নিয়ম পালন করা জরুরি?

Health Tips: সুস্থ জীবনযাপনের আর একটি নিয়ম হল পর্যাপ্ত ঘুম। প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমোনো প্রয়োজন। আর সেটা রাতের ঘুম হওয়া প্রয়োজন।


সারাবছর সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিনের জীবনে কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা প্রয়োজন। মাঝে মাঝে অনিয়ম হতেই পারে। তবে চেষ্টা করা উচিত যাতে বছরের বেশিরভাগ সময় আমরা শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল থাকি। তাহলেই বছরভর সুস্থ থাকব আমরা।

নিয়মিত শরীরচর্চা- সুস্থ জীবনযাপন করতে হলে নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। সবার আগে প্রতিদিন শরীরচর্চার অভ্যাস করুন। জিমে গিয়ে ওয়ার্ক আউট করতে হবে তা নয়। বাড়িতেই আপনি যোগাসন কিংবা ফ্রি হ্যান্ড একসারসাইজ অভ্যাস করতে পারেন। এর পাশাপাশি যাঁরা নিয়মিত ভাবে হাঁটাচলা কিংবা দৌড়ানোর অভ্যাস রাখতে পারবেন তাঁরা শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকবেন। মানসিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি হবে। দিনের শুরুটা করুন শরীরচর্চা দিয়ে। তাহলে সারাদিন তরতাজা থাকবেন আপনি।

পর্যাপ্ত ঘুম- সুস্থ জীবনযাপনের আর একটি নিয়ম হল পর্যাপ্ত ঘুম। প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমোনো প্রয়োজন। আর সেটা রাতের ঘুম হওয়া প্রয়োজন। সঠিক সময়ে না ঘুমোলে আদতে কোনও লাভ হবে না। তাই রাত জাগার অভ্যাস ত্যাগ করুন। খেয়াল রাখবেন রাতের ঘুম কখনই দিনে পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই রাতে জেগে নিয়ে দিনে ঘুমিয়ে সবটা সামলে নেবেন এমনটা ভাবলে একেবারেই ভুল করছেন। টানা বেশ কয়েকদিন রাতে ঠিকভাবে ঘুম না হলে একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

স্বাস্থ্যকর খাবার- সুস্থ থাকতে চাইলে অবশ্যই নজর দিন খাওয়া দাওয়ার দিকে। মাঝে মাঝে অবশ্যই মনের ইচ্ছেয় পেটপুজো করুন। কিন্তু নিয়মিত ভুরিভোজ খেলে শরীর খারাপ হতে বাধ্য। তাই সতর্ক থাকা দরকার। বাইরের খাবার, তেলমশলাযুক্ত খাবার, ভাজাভুজি ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে পারলে আপনার স্বাস্থ্য ভাল থাকবে। শুধু তাই নয়, সহজপাচ্য খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। সঠিক সময়ে খাবার খেতে হবে। আর অনেকক্ষণ খালি পেটে থাকা একেবারেই চলবে না।

ধ্যান করুন- প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের কাজের চাপ আমাদের সহ্য করতে হয়। এর সঙ্গে থাকে আনুষঙ্গিক অনেক ধরনের চাপ, সমস্যা। তাই দিনের অন্তত ১৫ মিনিট নিজেকে দেওয়ার চেষ্টা করুন। এই সময় অভ্যাস করুন মেডিটেশন। কারণ ধ্যান করলে আপনার মন, মেজাজ শান্ত হবে। 

সেলফ কেয়ার অর্থাৎ পরিচর্যা- সুস্থ জীবন যাপন করতে চাইলে সেলফ কেয়ার অর্থাৎ নিজের প্রতি যত্নশীল খুবই দরকার। তাই বাকি সবকিছুর পাশাপাশি নিজের পরিচর্যার দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। খুব পরিশ্রমের পর ক্লান্ত থাকলে যদি একটু নিজের ত্বক, চুল এইসবের পরিচর্যা করেন, তাহলে ফ্রেশ লাগবে আপনার।

পরিমিত জল খান- সঠিক পরিমাণে জল খাওয়া অবশ্যই প্রয়োজন। শরীরে জলের ঘাটতি অর্থাৎ ডিহাইড্রেশন হলে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই পরিমিত জল খাওয়া প্রয়োজন। এর ফলে আপনার হজমশক্তি ঠিক থাকবে। বলা ভাল সার্বিক ভাবে আপনার শরীর সুস্থ থাকবে।

সারা বছর সবসময় আপনি সুস্থ থাকবেন এমনটা নয়। যদি শরীর খারাপ হয় তাহলে অবহেলা না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। আর নিজে কোনও ওষুধ খেতে যাবেন না। এর ফলে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।


কিভাবে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা শুরু করবেন: 10টি শীর্ষ টিপস


কিভাবে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা শুরু করবেন: 10টি শীর্ষ টিপস
সারমর্ম
একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা জন্য মূল প্রয়োজনীয়তা কি কি? এটা কি শুধুমাত্র নিয়মিত ব্যায়াম এবং সঠিক পুষ্টি সম্পর্কে, নাকি আরও কিছু আছে? এই সমস্ত-অন্তর্ভুক্ত নিবন্ধে এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করুন।

গুরুত্বপূর্ণ দিক
একটি সুষম খাদ্য এবং নিয়মিত ওয়ার্কআউট একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারার অবিচ্ছেদ্য অংশ
প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা আপনার জীবনের মান উন্নত করতে পারে
ধূমপানকে 'না' বলুন এবং আপনার স্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমাতে মদ্যপান সীমিত করুন
একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারার জন্য, একটি সুষম খাদ্য, নিয়মিত ওয়ার্কআউট এবং নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের চক্র কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামিতি। আপনি যদি ভাবছেন কিভাবে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা শুরু করবেন, তাহলে আপনাকে অবশ্যই একই অগ্রাধিকার দিতে হবে। এই স্বাস্থ্যকর ব্যবস্থাগুলি অনুসরণ করে, আপনি ফিট এবং চটপটে রাখতে পারেন এবং আপনার দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে পারেন। যাইহোক, মনে রাখবেন যে আপনি এইভাবে সমস্ত রোগ প্রতিরোধ করতে পারবেন না, তবে জীবনের একটি স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি আপনাকে তাদের অনেকগুলি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে, বিশেষ করে আপনার হৃদয় এবং ফুসফুসকে প্রভাবিত করে এমন অবস্থা।

একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা জীবনযাপন শুরু কিভাবে প্রায়ই আশ্চর্য. একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা শুরু করার টিপস এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে পড়ুন।
একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
জীবনের বিভিন্ন রঙ উপভোগ করার জন্য একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার করে, সুষম খাদ্য খাওয়া এবং ব্যায়াম করার মাধ্যমে আপনার জীবনধারা পরিবর্তন করা আপনার জীবনের মানকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে পারে। এটি আপনার ত্বক এবং চুলের স্বাস্থ্যকে বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং আপনার আয়ু বাড়াতে পারে।

একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা শুরু করার জন্য 10টি আশ্চর্যজনক টিপস
নিজেকে হাইড্রেটেড রাখুন
আপনার শরীরের প্রাকৃতিক হাইড্রেশন বজায় রাখার জন্য প্রচুর জল পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ আমাদের শারীরিক ক্রিয়াকলাপ এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সিস্টেমে অক্সিজেন এবং পুষ্টির পরিবহনের জন্য জল অপরিহার্য। অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণেও জল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেহেতু আমরা প্রতিদিন প্রস্রাব, ঘাম এবং মলত্যাগের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে জল হারাই, তাই আমাদের দেহে একই পরিমাণ জল পুনরায় পূরণ করা গুরুত্বপূর্ণ। যদিও আপনার জলের প্রয়োজনীয়তা বিভিন্ন কারণের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে পারে, গড় মানুষের দিনে দুই থেকে তিন লিটার জল প্রয়োজন। যাইহোক, আপনি সনাক্ত করতে পারেন যে আপনি স্বাভাবিক অবস্থায় আপনার প্রস্রাবের রঙ থেকে পর্যাপ্ত জল পাচ্ছেন, যা ফ্যাকাশে হলুদ বা বর্ণহীন।
যথেষ্ট ঘুম
একটি সুস্থ ঘুম চক্র বজায় রাখা সক্রিয় এবং ফিট থাকার চাবিকাঠি। ঘুমের অভাব আপনাকে স্বাস্থ্যগত অবস্থার প্রবণ করে তোলে যেমন ডায়াবেটিস,স্থূলতা,উদ্বেগ, বিষণ্নতা, এবং কার্ডিয়াক রোগ। সঠিক বিশ্রাম ছাড়া, আপনি অতিরিক্ত খাওয়া শেষ করতে পারেন, যা আরও অস্বস্তির কারণ হতে পারে।


ফলমূল এবং শাকসবজি হল ভিটামিন, মিনারেল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির বড় উৎস। এগুলিকে আপনার ডায়েটে যুক্ত করা কীভাবে একটি ফিট এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করা যায় তার একটি বিচক্ষণ উদাহরণ হতে পারে।


আপনি যদি ক্রমাগত ভাবছেন কিভাবে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা শুরু করবেন, মনে রাখবেন যে প্রতিদিন ব্যায়াম করা আবশ্যক। ব্যায়ামের সহজতম ধরন দিয়ে শুরু করুন, যেমন 30 মিনিট হাঁটা। এই অভ্যাস আপনার যেকোনো রোগের ঝুঁকি কমায় এবং আপনার হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায়। ওয়ার্কআউটগুলি আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের পরামিতিগুলিকেও বাড়িয়ে তোলে [1]। শুরু করার পরেও এই রুটিনটি চালিয়ে যাওয়া নিশ্চিত করুন।

প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন
খাদ্য প্রক্রিয়াকরণসাধারণত উচ্চ প্রিজারভেটিভ থাকে, যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তারা আপনার রক্তচাপ বাড়াতে পারে এবং কার্ডিয়াক রোগের দিকে পরিচালিত করতে পারে। সেজন্য এগুলো সেবন না করা বা সীমাবদ্ধ না রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ঘরে তৈরি খাবার গ্রহণ করুন
আপনি যখন বাড়িতে তৈরি খাবার খান, তখন আপনি জানেন যে সেগুলিতে কী কী উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। এইভাবে আপনি অবাঞ্ছিত খাবার এবং মশলা এড়াতে পারেন।

আপনার ট্রিগার খাবার এড়িয়ে চলুন
ট্রিগার খাবারগুলি হল চকোলেট, ক্যান্ডি, বিস্কুট এবং চিপসের মতো খাবার যার জন্য একটি কামড় যথেষ্ট মনে হতে পারে না। প্রত্যেকেরই বিভিন্ন ট্রিগার খাবার রয়েছে এবং আপনার ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ না করা অতিরিক্ত খাওয়া এবং সম্পর্কিত উপসর্গের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

মাইন্ডফুল খাওয়ার অভ্যাস করুন
খাবারের সময় খাবারে আপনার পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া এবং ধীরে ধীরে খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এই অনুশীলনের মাধ্যমে, আপনি নিশ্চিত করেন যে খাবারটি সঠিকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে, এবং এইভাবে আপনি আপনার খাবার থেকে সর্বাধিক পুষ্টিকর সুবিধাগুলি লাভ করতে পারেন। বিপরীতভাবে, আপনি যদি মনোনিবেশ না করে খান, আপনি সঠিকভাবে চিবিয়ে না খেয়ে খাবার খেয়ে ফেলতে পারেন, যা হজমকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

নেতিবাচকতা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন
আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য, যাদের কাছ থেকে আপনি নেতিবাচক ভাইব পান তাদের এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। যাইহোক, যদি এই ধরনের লোকেরা আপনার নিকটবর্তী পরিবার থেকে হয় তবে এটি অন্যদের তুলনায় আরও জটিল হতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে, কর্ম পরিকল্পনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করা বুদ্ধিমানের কাজ।

ক্রিয়াকলাপগুলিতে নিযুক্ত হন যা আপনি উপভোগ করেন
নেতিবাচকতা এড়ানোর পাশাপাশি, নিজেকে নিযুক্ত রাখা এবং আপনার পছন্দের কাজ এবং ক্রিয়াকলাপে জড়িত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনাকে ইতিবাচক শক্তি দিয়ে পূর্ণ করে এবং আপনার আত্মসম্মান বাড়াতে সাহায্য করে। এই ধরনের ক্রিয়াকলাপের মধ্যে রয়েছে একটি রুক্ষ স্কেচ আঁকা, একটি নতুন থালা রান্না করা, একটি নতুন বাদ্যযন্ত্র শেখা, আপনার বাগানে গাছ লাগানো এবং আরও অনেক কিছু।

আপনার নিষ্পত্তিতে কীভাবে একটি উপযুক্ত জীবনযাপন করা যায় সে সম্পর্কে এই সমস্ত টিপস দিয়ে, সবকিছুর উপরে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনকে অগ্রাধিকার দেওয়া সহজ হয়ে ওঠে। কিভাবে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা শুরু করতে হয় সে সম্পর্কে আপনার যদি বিশেষজ্ঞের নির্দেশনার প্রয়োজন হয়, তাহলে আপনি একটি বুক করতে পারেন। তাই ফিটনেস বজায় রেখে এবং আপনার চারপাশের অন্যদের অনুপ্রাণিত করে কোনো বাধা ছাড়াই আপনার জীবন উপভোগ করা শুরু করুন!
mmm
আমি কিভাবে নতুনদের জন্য একটি ফিটনেস পরিকল্পনা শুরু করব?
ভাবছেন কিভাবে একটি সুস্থ জীবনধারা শুরু করবেন? আপনার ব্যায়ামের রুটিনে আপনি যা অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন তা এখানে:

দৈনিক 30 মিনিট হাঁটা
ব্রিজ পোজ, 45-ডিগ্রি ইনলাইন সারি এবং একটি ওয়াল স্কোয়াটের মতো সহজ ভঙ্গি
আধা ঘন্টা দৌড়ানো বা জগিং
একটি ফিট জীবনধারা সব সম্পর্কে কি?
আপনি যদি ক্রমাগত ভাবছেন কীভাবে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা শুরু করবেন, মনে রাখবেন যে ফিট থাকা মানে আপনাকে নিম্নলিখিত নির্দেশিকাগুলি মেনে চলতে হবে:

দিনে 30 মিনিটের জন্য শারীরিক কার্যকলাপকে অগ্রাধিকার দিন
আঘাত এড়াতে সাইকেল হেলমেট এবং সিটবেল্ট পরার মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনুসরণ করুন
একটি সুষম এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করুন
ধূমপান এড়িয়ে চলুন এবং মদ্যপান সীমিত করুন
দিনে দুবার দাঁত ব্রাশ করুন
STI প্রতিরোধ করতে যৌন মিলনের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন
গ্রীষ্মের প্রচন্ড গরমে সূর্যের আলো এড়িয়ে চলুন